সোহেল রানা,কুড়িগ্রাম:
অবিলম্বে তিস্তা নদী সুরক্ষায় বিজ্ঞানসম্মতভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।
অভিন্ন নদী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ন্যায্য হিস্যার ভিত্তিতে তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা। বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর)
সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বিএনপি ও জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাও,নদী বাঁচাও’ যৌথ আয়োজনে রাজারহাট উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে গণসমাবেশে এ দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন,তিস্তা নদীতে সারা বছর পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে জলাধার নির্মাণ,
তিস্তা নদীর শাখা-প্রশাখা ও উপশাখাগুলোর সঙ্গে নদীর পূর্বের সংযোগ স্থাপন ও নৌ চলাচল পুনরায় চালু করতে হবে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন,
অবিলম্বে তিস্তা নদী সুরক্ষায় বিজ্ঞানসম্মতভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।
অভিন্ন নদী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ন্যায্য হিস্যার ভিত্তিতে তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। তিস্তা নদীতে সারা বছর পানিপ্রবাহ ঠিক রাখতে জলাধার
নির্মাণ,তিস্তা নদীর শাখা-প্রশাখা ও উপশাখাগুলোর সঙ্গে নদীর পূর্বের সংযোগ স্থাপন ও নৌ চলাচল পুনরায় চালুর দাবি জানাই। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন,
তিস্তার ভাঙন,বন্যা ও খরায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে। নদীভাঙনের শিকার ভূমি-গৃহহীন ও মৎস্যজীবী মানুষের পুনর্বাসন,
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদী ও এর তীরবর্তী কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় কৃষক সমবায় ও কৃষিভিত্তিক কলকারখানা গড়ে তোলা
এবং মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তাপারের মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন,উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীর মরণদশা হয়। আর বর্ষায় উজানের পানিতে নদীর তীরে বন্যা ও ভাঙনে নিঃস্ব হচ্ছেন মানুষরা। তিস্তাপারের মানুষের দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগের শেষ হচ্ছে না।
এতে তিস্তাপারের মানুষ আশায় বুক বাঁধে। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন,কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব,রাজারহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এ্যাড: শফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব সহিদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।