নিজস্ব প্রতিবেদক, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আজ থেকে শুরু হওয়া এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, চকলেট ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় ছাত্র শক্তি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিনটি প্রধান পরীক্ষা কেন্দ্র— **ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়**, **নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়** এবং **ভূরুঙ্গামারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা** কেন্দ্রে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
### কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
তীব্র গরমের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা তৃষ্ণার্ত মানুষ ও শিক্ষার্থীদের কিছুটা স্বস্তি দিতেই সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন: মাহফুজুল ইসলাম কিরণ (আহ্বায়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা)।
মোঃ আহসান হাবীব লিংকন (আহ্বায়ক, জাতীয় ছাত্র শক্তি, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা) এবং মোঃ হাসান মাহমুদ জয় (সদস্য সচিব, জাতীয় ছাত্র শক্তি)।
নাগরিক পার্টির সদস্য নাহিদ হাসান প্রিন্সসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক **মোঃ মাহফুজুল ইসলাম কিরণ** সাংবাদিকদের বলেন, *"আমরা উপজেলার পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেছি। অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করায় শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলার সাথে পরীক্ষা দিচ্ছে। সার্বিক পরিবেশ নিয়ে আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট।"*
জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক **মোঃ আহসান হাবীব লিংকন** বলেন, *"প্রচণ্ড গরমে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কষ্ট লাঘবে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা পানি ও চকলেটের পাশাপাশি ছাত্র শক্তির পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেটও বিতরণ করেছি।"*
কর্মসূচির সমন্বয়ক ও জাতীয় ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব **মোঃ হাসান মাহমুদ জয়** বলেন, *"পরীক্ষা চলাকালীন দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে অপেক্ষায় থাকা তৃষ্ণার্ত অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও আমাদের এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক কাজ অব্যাহত থাকবে।
রাজনৈতিক সংগঠনের এমন মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপস্থিত অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনসেবা। প্রখর রোদে তৃষ্ণার্ত মানুষের হাতে পানি তুলে দেওয়ার এই দৃষ্টান্ত সত্যিই প্রশংসনীয়।