
ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
ভূরুঙ্গামারীতে বাসায় ডেকে নিয়ে মারপীট করে মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের সময় ৩ মহিলা সদস্যকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানায় দীর্ঘদিন থেকে ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামের জিয়াউর রহমান জিয়ার বাড়ি ভাড়া নিয়ে একই গ্রামের মোঃ শাকিল হোসেন (২৮) ও তার স্ত্রী
মোছাঃ বৃষ্টি বেগম (২৮) ঐ বাড়িতে বিভিন্ন স্থান থেকে পতিতা এনে বাড়িতে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদকের আড্ডা পরিচালনা এবং লোকজনকে পতিতা দিয়ে ঘরে আটকে মোবাইল ফোন টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিত।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কচাকাটা থানার বিষ্ণুপুর ছবেদের মোড় মোঃ সোলায়মান আলীর স্ত্রী মোছাঃ মাসুদা বেগম পুর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে ইমু নম্বরে উপজেলার চর ধাউরারকুটি গ্রামের সাইফুর রহমানের পুত্র মোঃ শাহিন আলমকে পুরাতন মোবাইল কেনার কথা বলে তার ভাড়া বাসায় ডাকে।
শাহিন আলম সরল বিশ্বাসে মোবাইল বিক্রির জন্য তার দুই বন্ধুসহ মোটর সাইকেল যোগে ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ ঘটিকার সময় আসার সময় আরডিআরএস অফিসের কাছে পৌছিলে নাগেশ্বরী থানার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তেলিয়ানীর পাড় গ্রামের মোঃ আনছার আলীর কন্যা মোছাঃ আসমাউল হুসনা (২৫)এর সাথে দেখা হলে তিনি রাস্তা থেকে বাড়িতে ফ্রিজটি নেয়ার জন্য বলে।
ঘরে ফ্রিজ পৌছে দিলে শাহিনকে মাসুমা বেগম ও আসমাউল হুসনা তাদের কোল্ড ড্রিংকস পান করানোর পর মাসুদা বেগম তার রুমে ডেকে নেয়া মাত্র শাকিল ও বৃষ্টিসহ ঘরে ওতপেতে থাকা সংঘবদ্ধ চক্রের শাকিল হোসেন,মাসুদা বেগমের স্বামী ও বাসার মালিক জিয়াউর রহমানের ২ ভাতিজা তাকে আটক করে এলোপাথারী মারপীট করে ৩ টি এন্ডোয়েট মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
সাথে আসা দুই বন্ধুসহ শাহিন পালিয়ে যায়।
পরে বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানানোর পর এলাকাবাসী তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে আসামাত্র চক্রের পুরুষ সদস্যরা পালিয়ে গেলেও বৃষ্টি,আসমাউল হুসনা ও মাসুদাকে আটক করে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আটক ৩জনকে থানায় নিয়ে যায়।
পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর আবারও অভিযান চালিয়ে ছিনতাই হওয়া ২ টি ফোন বাসার মালিক জিয়াউর রহমান জিয়ার ভাই মাহবুবুর রহমানের বসতবাড়ি থেকে উদ্ধার করে। পরে রাতেই শাহিন আলম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ৩ জনসহ মোট ৭ জনের নামে দঃ বিঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩৭৯/৪১১/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২২.তারিখ-২৬.০৯.২০২৫।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল হেলাল মাহমুদ জানান,সংবাদ পাওয়া মাত্র থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে অন্যান্য আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে







