
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা, কবির হোসেন রাকিব
লক্ষ্মীপুর
একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর এবার সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রাজনীতি।
বিশেষ করে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের মুখে ঘুরেফিরে আসছে একটি নাম—শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন।
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, প্রয়াত জননেতা শফিউল বারী বাবুর আপসহীন নেতৃত্ব এবং রাজপথের ত্যাগের কথা বিবেচনা করে তার সহধর্মিনীকে সংসদে দেখতে চান জেলার সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা।
কেন আলোচনায় বীথিকা বিনতে হোসাইন?
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, শফিউল বারী বাবু ছিলেন দলের একনিষ্ঠ ও নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তার অকাল মৃত্যুর পর তার পরিবার দলের প্রতি অবিচল আনুগত্য প্রদর্শন করে আসছে।
বীথিকা বিনতে হোসাইন কেবল বাবুর স্ত্রী হিসেবেই নয়, বরং একজন শিক্ষিত ও মার্জিত ব্যক্তিত্ব হিসেবেও লক্ষ্মীপুরের নারীদের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
তৃণমূলের দাবি:
শহীদ জিয়ার আদর্শ: শফিউল বারী বাবুর শূন্যতা পূরণ এবং তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার রক্ষায় বীথিকাকে উপযুক্ত মনে করছেন নেতাকর্মীরা।
ত্যাগের মূল্যায়ন: দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই ও মামলায় বাবুর অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে দল তাকে মূল্যায়ন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সমর্থকদের।
নারী নেতৃত্ব: শিক্ষিত ও দক্ষ নারী নেতৃত্ব হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুরের সমস্যাগুলো জাতীয় সংসদে তুলে ধরতে পারবেন।
রাজনীতির মাঠে বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সংরক্ষিত আসনের জন্য একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের ব্যাপক বিজয়ের
পর সংরক্ষিত আসনে শফিউল বারী বাবুর পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দিলে সেটি হবে তৃণমূলের জন্য বড় প্রাপ্তি।
এ বিষয়ে বীথিকা বিনতে হোসাইনের অনুসারীরা জানান, তিনি দলের সিদ্ধান্তের ওপর শ্রদ্ধাশীল। তবে দল যদি তাকে সুযোগ দেয়, তবে তিনি লক্ষ্মীপুরের মানুষের সেবায় এবং শফিউল বারী বাবুর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।







