
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রাণনাশের হুমকি উপেক্ষা করেই ১৬ জুলাই সবার সঙ্গে রাজপথে নেমেছিলাম। বিক্ষোভ মিছিল ভণ্ডুল করার জন্য কুড়িগ্রামের বাইরে
থেকে সন্ত্রাসী আনা হয়েছিল। তবুও আমরা এক পা-ও পিছু হটিনি। নিজের বুক পেতে দিয়ে সহযোদ্ধাদের সাহস জুগিয়েছি।
এরপর টানা ১৭ দিন পালিয়ে থাকতে হয়েছে। ৪ আগস্ট আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। সেই গভীর রাতে দুইজন সাহসী মানুষ আমাকে ও শ্রাবণকে উদ্ধার করেছিলেন। তাদের সেই অবদান আমি কখনো ভুলব না।
আন্দোলনে অনেকেই ছিল। কিন্তু আজকের কর্মসূচিতে যাদের সামনে দেখা গেছে, তাদের অনেককেই আন্দোলনের কঠিন সময়ে আমাদের পাশে দেখিনি। অথচ যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিল, তাদের অনেকেই আজ উপেক্ষিত। এটি সত্যিই কষ্টের।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মন্তব্য করেছেন, “তুমি তো বাইরে থাকো, তোমাকে কীভাবে ইনভাইট করবে? আমরা যারা সব সময় অফিসে যাই-আসি, আমাদেরই বলা হয়েছে।”
আমার প্রশ্ন হলো— জুলাই আন্দোলন কি অফিসে যাতায়াতের মাধ্যমে মূল্যায়ন হবে, নাকি একজন শিক্ষার্থী হিসেবে দেশের প্রয়োজনে রাজপথে জীবন বাজি রেখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে?
জামাদুস সানি
সাবেক, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক , বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ভূরুঙ্গামারী







