
ডেস্ক রিপোর্ট
ঢাকা, ৪ জুলাই: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১০ জুলাই গণমিছিলসহ মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শনিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দিনব্যাপী নিয়মিত বৈঠকে এসব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি এখনো জাতির কাছে অম্লান। তরুণদের আত্মত্যাগ ও আহতদের ত্যাগ দেশবাসীকে এখনো অনুপ্রাণিত করে। তবে গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, স্বৈরতন্ত্রের স্থায়ী অবসানের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অধ্যাদেশ অকার্যকর করা হয়েছে এবং গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই, যা মুক্তিকামী জনগণের জন্য হতাশাজনক।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এর সহযোগী সংগঠনসমূহ ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকবে।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১০ জুলাই (শুক্রবার): ঢাকায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়েখে চরমোনাই)-এর নেতৃত্বে গণমিছিল।
১৮ জুলাই: ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ পালন।
১৯ জুলাই: ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভা।
৫ আগস্ট: স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী গণমিছিল।
এছাড়া মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের খোঁজখবর নেওয়া, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্র পদযাত্রা, দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই স্মরণে সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, শরীয়াহসম্মত গ্রাফিতি ও দেয়াল লিখন, জুলাই আন্দোলনভিত্তিক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং জুলাইয়ের সংগ্রামের স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।
কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে দলের নায়েবে আমীর, যুগ্ম মহাসচিব, সহকারী মহাসচিব, বিভিন্ন বিভাগের সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।






