
প্রতিনিধি :
‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মাদক নির্মূলে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে র্যাব-১৩ এর পৃথক তিনটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দসহ মোট পাঁচজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১৩, সদর কোম্পানি, রংপুরের একটি আভিযানিক দল লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানাধীন ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের উত্তর জাওরানী বড়দলপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দেহ তল্লাশির মাধ্যমে তাদের পরিহিত জ্যাকেট থেকে ৭ বোতল এস্কাফ (ESKuf) জব্দ করা হয়। এ অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
আপন চন্দ্র রায় (২৬), পিতা- প্রফুল্ল বর্মন এবং
নারায়ন চন্দ্র দাস (৪২), পিতা- মৃত শুরিন চন্দ্র দাস।
একই দিন দুপুর ২টা ১০ মিনিটে র্যাব-১৩, সিপিএসসি এবং র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাধীন রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পলাশবাড়ী পৌরসভাস্থ নতুন ভবনের সামনে চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় দুইটি মোটরসাইকেল তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় বস্তার মধ্যে রক্ষিত ৯৮ বোতল ফেয়ারডিল জব্দ করা হয়। এ অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন—
মোঃ দুলু মিয়া (৩৬) এবং
মোঃ নুরুজ্জামান (৩৩), উভয়ের বাড়ি জলঢাকা থানা, নীলফামারী জেলায়।
অপরদিকে, একই দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ মাঝাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দসহ মোঃ মোকছেদুল ইসলাম পারভেজ (৪৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৩ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।







