
মোঃ ইমরান আলী
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে গোপনে বিয়ে করার পর স্ত্রীকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তুহিন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে তুহিনের বাড়িতে গেলে স্ত্রী দাবি করা সোনালী খাতুনকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগকারী সোনালী খাতুন জানান, শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের গ বালিয়াদিঘী গ্রামের এলাকার তুহিন মিয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে তার অন্যত্র বিয়ে হলেও তুহিন নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজির মাধ্যমে ৫ লাখ ৫০০ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে দাবি করেন তিনি।
সোনালী খাতুন আরও অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সকালে স্বামীর বাড়িতে গেলে তুহিনের মা ও মামাসহ পরিবারের সদস্যরা তাদের বিয়ের কাগজপত্র দেখতে চান। কাগজপত্র দেখানোর পরও তাকে মারধর করে টেনেহিঁচড়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তুহিনের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে তার ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তুহিনের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য তিন দিনের সময় চাওয়া হয়। আগামী শনিবার পুনরায় বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে তুহিন মিয়া ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।







