
ডেস্ক রিপোর্ট:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মো. জাহিদ হাসান (৩২) সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে জাহিদ হাসান বাড়িতে না থাকার সুযোগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা আসামিসহ অভিযুক্তরা তার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন। এ সময় অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম হুকুমের নির্দেশে তার বাড়িঘর ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে আনুমানিক ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় জাহিদের স্ত্রী মোছা. সীমা বেগম, বোন মোছা. রেখা বেগম ও মা মোছা. জাহানারা বেগম অভিযুক্তদের বাধা দিলে তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেলা-ফুলা ও বেদনাদায়ক জখম হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার একপর্যায়ে আসামি আসাদুজ্জামান আপন উদ্দেশ্যমূলকভাবে জাহিদের বোন রেখা বেগমের পরনের জামাকাপড় টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় জাহিদের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত বায়েজিদ মিয়া জাহিদের স্ত্রীর গলায় থাকা আনুমানিক ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, যার মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা, গলা থেকে ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে তাদের রক্ষা করেন। পরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে মো. জুয়েল মিয়া (৪২), মো. সামছুল হক (৫৫), মো. জোবেদ আলী (৪০) ও মোছা. মোর্শেদা বেগমসহ স্থানীয় আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হওয়ায় থানায় এজাহার দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঙঢ় সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে আবেদন করেছেন বাদী মো. জাহিদ হাসান।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায় নি।






