
এইচ এম হাছনাইন, বিশেষ প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র একদিন বাকি। অথচ দেশের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী মে মাসের বেতন-ভাতা না পেয়েই ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাই তাদের মানবেতর অবস্থায় ঈদ উদযাপনের শঙ্কা দেখা গিয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর শিক্ষক শাখা সংগঠন জাতীয় শিক্ষক ফোরাম-এর কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি এবিএম জাকারিয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ইএফটি সিস্টেম চালুর পর শিক্ষকরা প্রতি মাসের শুরুতে বেতন পাওয়ার প্রত্যাশা করলেও বাস্তবে ১০-১৫ তারিখের আগে বেতন একাউন্টে জমা হচ্ছে না। ফলে ঈদের মতো বড় উৎসবের আগেও আর্থিক সংকটে পড়েছেন শিক্ষক-কর্মচারী ও তাদের পরিবার।
তিনি আরো লিখেন, “সরকার পরিবর্তন হয়, শিক্ষামন্ত্রী বদলায়, কিন্তু বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। বিগত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আমলেও ঈদ বোনাস ও বেতনের দাবিতে শিক্ষকরা ঈদের আগের দিন প্রেসক্লাবে মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট করেছেন। বর্তমানেও অবস্থা তথৈবচ।”
শিক্ষক নেতা এবিএম জাকারিয়া অভিযোগ করে লিখেন, মাউশি ও শিক্ষা বোর্ড শিক্ষকদের খাতা দেখার বিল ও অন্যান্য পাওনা বছরের পর বছর আটকে রেখে লভ্যাংশ ভোগ করছে। তারা ঈদের আগেই মে মাসের বেতন-ভাতা ও শতভাগ উৎসব ভাতা পরিশোধ এবং ইএফটি সিস্টেমের জটিলতা দূর করে প্রতি মাসের ১-৩ তারিখের মধ্যে বেতন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ সম্পর্কে শিক্ষক নেতারা বলছেন, শিক্ষক সমাজকে বঞ্চিত রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।







