
ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের বড় অংশই আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনে অবস্থান করছে। এর মধ্যে শুধু সুদান, নাইজেরিয়া ও কঙ্গো—এই তিন দেশেই মোট আক্রান্ত মানুষের এক-তৃতীয়াংশ রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে, যা ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত এবং চরম জলবায়ু পরিস্থিতি এই সংকটের প্রধান কারণ।
এতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির সম্ভাবনা কম। বরং অনেক দেশে সংকট আরও গভীর হতে পারে। বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতা খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু দেশে—যেমন বাংলাদেশ ও সিরিয়ায়—পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও আফগানিস্তান, কঙ্গো ও মিয়ানমারে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক খাদ্য সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রধান আলভারো লারিও বলেন, রোপণের মৌসুমে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি খাদ্য উৎপাদনে বড় প্রভাব ফেলবে। তিনি স্থানীয়ভাবে সার উৎপাদন বাড়ানো, মাটির গুণগত মান উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল ফসলে বিনিয়োগের ওপর জোর দেন।







