
স্টাফ রিপোর্টার,
মোঃ রেজাউল হক কুড়িগ্রামঃ-
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মমতাজ আকতারের বয়সের থেকেও ২০ বছরের বড়। আকতারের মায়ের বয়সী বয়স। এদিকে মমতাজের আগে স্বামীর দুইটি মেয়ে আছে। মমতাজের প্রথম মেয়ে আকতারের বয়সের সমান বয়সী থাকার পরও তারা পরকীয়া করার সময় উলঙ্গ অবস্থায় আকতার ও মমতাজ হাতেনাতে হাসপাতালের অফিস কক্ষে আটক। আকতারের প্রথম বউয়ের দুইটা বাচ্চা আছে, ১ম বউ থাকা সত্ত্বেও কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর আখতারুজ্জামান ও মমতাজ এর বিরুদ্ধে পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একটি বিশেষ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকতার ও মমতাজ দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের কাজের আড়ালে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, তারা বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও মমতাজের সাথে দীর্ঘকাল ধরে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। সম্প্রতি একটি আবদ্ধ কক্ষে ওই নারীর সাথে তার বিশেষ মুহুর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
এলাকাবাসীর দাবি, আকতার ঘুষখোর মদখোর নারি কেলেঙ্কারি ব্যক্তি একজন সরকারি চাকুরিজীবী হিসেবে তার এই ধরনের আচরণ চরম নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচয় দেয়। হাসপাতালের মতো একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তির এমন চরিত্রহীনতা সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরেই তার গতিবিধি লক্ষ্য করছিলাম। অবশেষে বিষয়টি সবার সামনে পরিষ্কার হলো।”
এই বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর ব্যক্তিগত বা সামাজিক অনাচার যদি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে, তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্তে তাদের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমান তারা বিভিন্ন নতুন নতুন ফেসবুক এ আই ব্যবহার করে নিজেদের দোষ অন্যের উপর চাপাচ্ছে ।






